Saturday, August 25, 2018
হিতাচি সিসাইড পার্ক জাপানের প্রাকৃতিক সম্পদ Hitachi Seaside Park, Flower...
হিতাচি সিসাইড পার্ক
হিতাচিনাকা, ইবারাকি, জাপান
আয়তন - ১৯০ হেক্টর
সারা বছরে মরশুমি ফুলের জন্য় এই পার্কটি বিশ্ব বিখ্য়াত
পার্কের অন্তর্গত মিহারাশি নামের পাহাড়ি অঞ্চলটি (৩.৫ হেক্টর) পর্যটকদের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ।
বসন্তকালে এখানে প্রাকৃতিকভাবে নীল রঙের ফুলের চাদেরে ঢেকে যায় প্রান্তর। আকাশের নীলের সঙ্গে মাটিতে উজ্জ্বল নিমোফিলা বা বেবি ব্লু আইস নামের ছোটছোট নীল ফুলের মিলন ঘটে। প্রতি বছর সংখ্য়ায় প্রায় পাঁচ মিলিয়ন ফুল ফোটে।
শরৎকালে মিহারাশি পাহাড়ের প্রান্তর ভরে যায় লাল ও সবুজাভ রঙের কোচিয়া বল গাছে এবং কসমসের নানান রঙের ফুলে।
সারা বছর হিতাচি সিসাইড পার্কের ১৯০ হেক্টর জমিতে নার্সিসাস, টিউলিপ, গোলাপ, কসমস, ড্য়াফোডিল ইত্য়াদির বিভিন্ন প্রজাতি ও রঙের ফুলের আশ্চর্য সমাবেশ দেখা যায়।
ফুল ফোটার সময় অনুযায়ী পার্কটিতে বাৎসরিক ক্য়ালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে।
Friday, August 24, 2018
Tuesday, August 21, 2018
গাড়োয়াল হিমালয়ের প্রাচীন গ্রাম ওসলা OSLA ANCIENT HIMALAYAN VILLAGE UT...
গাড়োয়াল হিমালয়ের প্রাচীন গ্রাম ওসলা। হিমালয়ের পথে হার কি দুন যাওয়ার পথেই এই গ্রাম। উচ্চতা ১০,৮৫৩ ফিট। এই গ্রামে একটি কাঠের কারুকার্য করা শিব জির মন্দির আছে। অনেকে এই মন্দিরটিকে দুর্যোধনের মন্দির বলে মনে করেন। কিন্তু গ্রামবাসীরা কিন্তু ওসলার এই মন্দিরটিকে শিবের মন্দির বলেই আখ্য়া দেন। শীতে বরফের সময়ে এই শিব বিগ্রহকে নীচের কোনও গ্রামে নামিয়ে আনা হয়। দেরাদুন থেকে এই গ্রাম প্রায় ২৪০ কিমি দুরে অবস্থান করছে। গ্রামের উত্তর পশ্চিম দিকে যে পথ চলে যাচ্ছে সেদিকে হিমালয়ের হারকিদুন। বিখ্য়াত ঝুলন্ত উপত্য়কা। ওসলা থেকে উত্তরে হিমালয়ের বরফআবৃত পর্বত শিখর চোখে পড়ে। এই গ্রামে থাকার মনোরম ব্য়বস্থা আছে।
Sunday, August 19, 2018
কম্বোডিয়ার আঙ্কোর ওয়াট মন্দির পৃথিবীর আশ্চর্য স্থাপত্য়কলা।
প্রাচীনকালে হিন্দু রাজারা দক্ষিনপূর্ব এশিয়ার সুদুর কম্বোজ রাজ্য়ে তাদের রাজ্য়স্থাপন করেছিল। আনুমানিক ৬ শতক থেকে বারো শতক সময়কালের মধ্য়ে এই অঞ্চলে হিন্দু রাজাদের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বিস্তর বেরে গিয়েছিল। ফলে তাঁদের সাম্রাজ্য়ের অন্তবর্তী ও দুরবর্তী আক্রমনকারী শত্রুও গেছিল বেড়ে। কম্বোডিয়ায় যে হিন্দু রাজারা রাজত্ব করতেন তারা হলেন খেমর রাজবংশীয়। রাজা সূর্য বর্মন খেমর রাজবংশের অন্য়তম ব্য়ক্তিত্য়। তিনি আনুমানিক ১২০০ খ্রীষ্টাব্দে স্বধর্মের পৃষ্ঠপোষনার্থে অধুনা কম্বোডিয়ার আঙ্কোর-এ বিশ্ব বিখ্য়াত হিন্দু দেবতা ভগবান বিষ্ণুর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। একই সঙ্গে তিনি আঙ্কোরে নিজের রাজধানী স্থাপনা করেন। এই আঙ্কোর শহরটি ছিল একটি সমৃদ্ধ মন্দির নগরী। প্রাচীনকালে কম্বোজ সাম্রাজ্য়ের পাথর খোদাইয়ের শিল্পীদের যে সারা পৃথিবীতে খ্য়াতি ছিল তা নিসন্দেহেই অনুমান করা যায় এই মন্দিরের শিল্পকলা দেখে। হিন্দুপূরানে দেবতাদের আবাস স্থল মেরু পর্বতের বিবরণ অনুযায়ী এই মন্দিরটি তৈরী হয়েছিল ৪০০ বর্গ কিলোমিটার স্থান জুড়ে। পুরো মন্দিরটি ঘিরে ৬৫০ ফুটের একটি পরীখা খনন করা আছে। এই পরীখাটি পার হওয়ার জন্য় ৩৬ ফুট দৈর্ঘের একটি সেতু তৈরি করা আছে। সেতুটি পার হয়ে ১৫৬০ ফুট রাস্তা চলে যাচ্ছে সোজা মন্দিরের দিকে। সেখানে আঙ্কোর ওয়াট মন্দিরের নীচের ও প্রথম গ্য়ালারী। এই গ্য়ালারী হল ঘর মাফিক বারান্দা। এইখানে দেওয়াল জুড়ে পৃথিবী বিখ্য়াত খেমর শিল্পকলা পাথরে খোদাই করে আঁকা আছে। এর ওপরে আরও দুটি গ্য়ালারী রয়েছে। তারও ওপরে অধিষ্ঠান করছেন ভগবান বিষ্ণুর প্রস্তর বিগ্রহ। এটিই মন্দিরের সর্বোচ্চ চুড়া, দৈর্ঘ্য় ২১০ ফুট। এই মূল মন্দরটিই একমাত্র পশ্চিমমূখী। গ্য়ালারী গুলোতে মূলত মহাভারতের দৃশ্য়গুলো খোদাই করা আছে।এছাড়াও বহু হিন্দু দেবদেবীর মুর্তিও এখানে খোদিত আছে।
খেমর রাজবংশের চীরকালীন শত্রু ছিল চাম-এরা। এই চামেদের আক্রমণেই কম্বোজে হিন্দু সাম্রাজ্য়ের ধ্বংস সাধিত হয়েছিল। মহারাজা দ্বিতীয় সূর্য বর্মনের মৃত্য়ূর প্রায় ২৭ বছর পর আনুমানিক ১১৭৭ সালে চামেদের আক্রমণে সাম্রাজ্য়ের ধনসম্পদ লুন্ঠিত হয়। এরপর থেকে ভগ্ন পোড়ো ও ভৌতিক হয়ে এই মন্দির নগরীটি পড়ে ছিল। এখানে ধনসম্পদের লোভে ঘন জঙ্গলের মধ্য়ে পা বাড়াত দুর্ধর্ষ ডাকাতের দল। ত্রয়োদশ শতাব্দির শেষের দিক থেকে জঙ্গল পরিষ্কার করে এই মন্দিরটিকে বৌদ্ধরা তাদের পোড়ো জীর্ণ মঠ হিসেবে ব্য়বহার করতে থাকেন। এখনও পর্যন্ত আঙ্কোরভাটে ভগবান বিষ্ণুর বিগ্রহকেও একই সঙ্গে বৌদ্ধরীতিতেই পূজা করা হয়।
খেমর রাজবংশের চীরকালীন শত্রু ছিল চাম-এরা। এই চামেদের আক্রমণেই কম্বোজে হিন্দু সাম্রাজ্য়ের ধ্বংস সাধিত হয়েছিল। মহারাজা দ্বিতীয় সূর্য বর্মনের মৃত্য়ূর প্রায় ২৭ বছর পর আনুমানিক ১১৭৭ সালে চামেদের আক্রমণে সাম্রাজ্য়ের ধনসম্পদ লুন্ঠিত হয়। এরপর থেকে ভগ্ন পোড়ো ও ভৌতিক হয়ে এই মন্দির নগরীটি পড়ে ছিল। এখানে ধনসম্পদের লোভে ঘন জঙ্গলের মধ্য়ে পা বাড়াত দুর্ধর্ষ ডাকাতের দল। ত্রয়োদশ শতাব্দির শেষের দিক থেকে জঙ্গল পরিষ্কার করে এই মন্দিরটিকে বৌদ্ধরা তাদের পোড়ো জীর্ণ মঠ হিসেবে ব্য়বহার করতে থাকেন। এখনও পর্যন্ত আঙ্কোরভাটে ভগবান বিষ্ণুর বিগ্রহকেও একই সঙ্গে বৌদ্ধরীতিতেই পূজা করা হয়।
রূপকথার সেরা শিল্পী অরি রুশোর ১০ রহস্য়ময় চিত্রকলা 10 MYSTICAL PAINTINGS ...
রূপকথার সেরা শিল্পী অরি রুশোর ১০ রহস্য়ময় ছবি 10 MYSTICAL PAINTINGS BY ARTIST HENRI ROUSSEAU
ফরাসী পোস্ট ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রকর হেনরি রুশোর চিত্রশিল্পে প্রভাবিত হয়েছিলেন পিকাসো, লেজার, হুগো, বেকম্য়ান মেটজিঙ্গার। পেশায় ট্য়াক্স কালেক্টার, রুশো তাঁর ৪০ বছর বয়সের পর ছবি আঁকায় মনোনিবেশ করেন। ৪৯ বছর বয়সে অবসর নিয়ে সম্পূর্ণভাবে ছবিতে আত্মনিয়োগ করেন। রূপকথাধর্মী ও রহস্য়ময় ছবির জন্য়ই তিনি বিশেষভাবে বিখ্য়াত হন।
Wednesday, August 15, 2018
শক্তিপীঠ ক্ষীরগ্রামের দেবী যোগাদ্য়া বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গ DEVI YOGADYA OF ...
বাংলার তন্ত্র সাধনার এক প্রাচীনতম শক্তিপীঠ
বাংলার ৫২ টি শক্তিপীঠের মধ্য়ে একটি অন্য়তম জাগ্রত শক্তিপীঠ, ক্ষীরগ্রাম। গ্রামটি বাংলার তন্ত্র সাধনার এক প্রাচীনতম পীঠ। কাটোয়া বর্ধমান রেলপথে কাটোয়া থেকে ১৭ কিলোমিটার এবং বর্ধমান থেকে ৩৬ কিলেমিটার দুরে কৈচর স্টেশন। বাস বা রিকশায় কৈচর থেকে চার কিলোমিটার পথ গেলে ক্ষীরগ্রাম। গ্রামের পশ্চিমে দেবী যোগাদ্য়ার মূল বেদী। মন্দিরের লাগোয়া ক্ষীর দিঘীর জলে সারাবছর দেবীর অধিষ্ঠান।
প্রতি বছর বৈশাখী সংক্রান্তির আগের দিন দেবীকে জল থেকে তুলে বেদীতে রাখা হয় এবং একটা গোটা দিন দেবীর পূজা হয় মহা সমারোহে। এরপর আবার দেবী মূর্তিকে জলে রেখে আসা হয়। আবার জৈষ্ঠ মাসের চার তারিখে একদিনের উৎসব হয়। এই দুটি দিন ছাড়া অন্য় সময়ে দেবীকে দর্শন করা যায় না। দেবীর পূজা উপলক্ষে ঐ সময়ে ক্ষীর গ্রামে বিরাট উৎসব আয়োজিত হয়। আষাঢ়ী নবমী, বিজয়াদশমী, ১৫ পৌষ এবং মাঘ মাসের মকর সপ্তমীতে দেবীকে জল থেকে তুলে পুজো করা হলেও তাঁকে দেখতে পান না সাধারণ মানুষজন।
এই উৎসবে বাংলার ও বাংলার বাইরে থেকে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী এখানে আসেন। উৎসবের সময়ে এতটাই ভিরে ভরা থাকে যে প্রায় তিল ধারনের স্থান মেলে না। তীর্থযাত্রীরা মূলত ক্ষীর দিঘীর চার পাশে তাবু খাটিয়েই থাকেন। বর্তমানে যোগাদ্য়া মন্দির কমিটির পরিচালনায় একটি যাত্রী আবাস নির্মান করা হয়েছে।
উৎসবকে ঘিরে অতিথি আপ্য়ায়ন গ্রামের অন্য়তম ঐতিহ্য়। কোনও অতিথিকে সেদিন ফেরানো হয় না। নানান ধরনের দেশীয় মন্ডামেঠাইয়ে ভরে থাকে মেলার আসর। যদি পেট ভরে মিষ্টি খাওয়া উপভোগ করতে চান তাহলে ক্ষীর গ্রাম অবশ্য়ই যাবেন। এখানের কমলা ভোগ ও দই খুবই বিখ্য়াত।
মা যোগাদ্য়া পাতালে রাক্ষস পূজিতা দেবী।মন্দিরের পূজায় মাছ রান্না করে দেবীকে দেওয়া হয়। ভক্তরাও সেই প্রসাদ পায়।
Subscribe to:
Comments (Atom)
অক্সফোর্ড অস্ট্রোজেনেকা ভ্যাকসিন নিলে জমে যাচ্ছে রক্ত! ৩০ এর নিচে টিকা নিতে নিষেধাজ্ঞা
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ টিকার সঙ্গে রক্ত জমাট বাঁধার দূরান্বয়ী সম্পর্ক হলেও রয়েছে- বিশেষজ্ঞদের এমন বক্তব্য আসার পর যুক্তরাজ্যে ...
-
বাংলার তন্ত্র সাধনার এক প্রাচীনতম শক্তি পীঠ বাংলার ৫২ টি শক্তিপীঠের মধ্য়ে একটি অন্য়তম জাগ্রত শক্তিপীঠ, ক্ষীরগ্রাম। গ্রামটি বা...
-
গাড়োয়াল হিমালয়ের প্রাচীন গ্রাম ওসলা। হিমালয়ের পথে হার কি দুন যাওয়ার পথেই এই গ্রাম। উচ্চতা ১০,৮৫৩ ফিট। এই গ্রামে একটি কাঠের কারুকার্য কর...
-
ফরাসী পোস্ট ইম্প্রেশনিস্ট চিত্রশিল্পী, চিত্রকর, ভাষ্কর, প্রিন্টমেকার, সেরামিস্ট ও লেখক পল গঁগ্য়া ১৮৭৩ সালে ২৫ বছর বয়সে নিয়মিতভাবে ছবি আঁক...